বাংলাদেশে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক জলপ্রপাত দেখতে সুযোগ মিস করবেন না! জীবনে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক জিনিসগুলি কঠিন কষ্ট ছাড়া এবং এটির প্রতি দৃঢ়সংকল্প দেখানো ছাড়া অর্জন করা যায় না। মৌলভীবাজারে হাম হাম জলপ্রপাতে ভ্রমণে যাবার অভিজ্ঞতা অনেকটা এই রকমই। মৌলভীবাজার জেলার রাজকান্দি রিজার্ভ বনে বাংলাদেশের সৌন্দর্য মন্ডিত এই হাম হাম জল প্রপাতটি অবস্থিত। এই জলপ্রপাত প্রায় 135 - 160 ফুট উচ্চ এবং বৃষ্টির সময় এটি তার সেরা সৌন্দর্য মিলে ধরে। মৌলভীবাজার তার চা বাগানের জন্য এবং বিশেষ করে 7 স্তর বিশিষ্ট রঙ্গিন চায়ের জন্য সুপরিচিত। মৌলভীবাজারের দূর্গম ও পাহাড়ী অংশে এই জলপ্রপাত অবস্থিত। এই এলাকাটি সিলেটের বাকি অংশের তুলনায় বেশ দূর্গম কিন্তু প্রকৃতপক্ষে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সংরক্ষণে এই দূর্গমতায় সহায়তা করে। এখানে একমাত্র পায়ে হেঁটে যেতে হয় তাই একমাত্র পর্যটক ছাড়া কেউ এখানে যাতায়াত করে না। তবে এখানে যেতে যেহেতু শারিরিক সক্ষতা দরকার তাই যারা বয়সে তরুন এবং এডভেঞ্চার প্রিয় তারাই যেতে পারবে। এখানে ভালমানের রেস্টুরেন্ট ও বাসস্থানের অভাব বেশ পরিলক্ষিত হয়।
Everybody's should enjoy being outdoors, listening to music, traveling and exciting adventures. we manage it.
Wednesday, October 31, 2018
হামহাম জলপ্রপাত শ্রীমঙ্গল - প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্যের হাতছানি (Hammam Waterfalls Srimangal - The beauty of nature is very charming
বাংলাদেশে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক জলপ্রপাত দেখতে সুযোগ মিস করবেন না! জীবনে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক জিনিসগুলি কঠিন কষ্ট ছাড়া এবং এটির প্রতি দৃঢ়সংকল্প দেখানো ছাড়া অর্জন করা যায় না। মৌলভীবাজারে হাম হাম জলপ্রপাতে ভ্রমণে যাবার অভিজ্ঞতা অনেকটা এই রকমই। মৌলভীবাজার জেলার রাজকান্দি রিজার্ভ বনে বাংলাদেশের সৌন্দর্য মন্ডিত এই হাম হাম জল প্রপাতটি অবস্থিত। এই জলপ্রপাত প্রায় 135 - 160 ফুট উচ্চ এবং বৃষ্টির সময় এটি তার সেরা সৌন্দর্য মিলে ধরে। মৌলভীবাজার তার চা বাগানের জন্য এবং বিশেষ করে 7 স্তর বিশিষ্ট রঙ্গিন চায়ের জন্য সুপরিচিত। মৌলভীবাজারের দূর্গম ও পাহাড়ী অংশে এই জলপ্রপাত অবস্থিত। এই এলাকাটি সিলেটের বাকি অংশের তুলনায় বেশ দূর্গম কিন্তু প্রকৃতপক্ষে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সংরক্ষণে এই দূর্গমতায় সহায়তা করে। এখানে একমাত্র পায়ে হেঁটে যেতে হয় তাই একমাত্র পর্যটক ছাড়া কেউ এখানে যাতায়াত করে না। তবে এখানে যেতে যেহেতু শারিরিক সক্ষতা দরকার তাই যারা বয়সে তরুন এবং এডভেঞ্চার প্রিয় তারাই যেতে পারবে। এখানে ভালমানের রেস্টুরেন্ট ও বাসস্থানের অভাব বেশ পরিলক্ষিত হয়।
Tuesday, October 30, 2018
বিরিশিরি নেত্রকোনা - অপরূপ শ্বেত শুভ্র চিনামাটির পাহাড়ের পাদদেশ (Birishri Netrokona -The foot of Beautiful white Chinaman hill)
যদি আপনার মনে উঁকি দিয়ে যায় শান্ত ও চমৎকার নিড়িবিলি পরিবেশে সময় কাটানো ইচ্ছা।
এমন একটি জায়গা খুঁজছেন যা আপনাকে চুনাপাথর পাহাড়ের সুন্দর সৌন্দর্য এবং আপনার বন্ধুদের এবং প্রিয়জনদের সাথে লেকগুলি উপভোগ করার সুযোগ দেবে? বাংলাদেশে মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি স্থান রয়েছে যা বহুবিধ সাংস্কৃতিক পরিবেশের সাথে ক্রিস্টাল ক্লীয়ার পানি দেখতে পাওয়া যায়। বিড়িশিরির এমন একটি স্থান।
বিরিশিরি নেত্রকোনা জেলার শুশুং দুর্গাপুর থানা এলাকায় অবস্থিত। এটি শোমেশ্বরী নদী, ছোট সিরামিক পাহাড় এবং ফিরোজা রঙের জলের সাথে হ্রদের সুন্দর সুন্দর দৃশ্যের জন্য সুপরিচিত। এটি বাংলাদেশের প্রায় 175 কিলোমিটার উত্তরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে। এটি বাংলাদেশের অন্য পর্যটন এলাকার তুলনায় বরং বেশী দূর্গম। বিরিশিরির গারো পাহাড়ের পাদদেশে একটি উপজাতি বাস করে যাদের জীবনাচরণ অনেকটা গারো সম্প্রদায়ের সাথে মিলে যায়।এই এলাকায় বসবাসকারী উপজাতিদের অধিকাংশই খ্রিস্টান। দূর্গম ও অন অগ্রসর গ্রামীন জীবন অবল্বনের কারনে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এখন পর্যন্ত অক্ষত রয়েছে।আপনি যদি একজন তরুণ এবং উদ্যমী ব্যক্তি হন, যিনি বন্ধুদের একটি গ্রুপের সাথে ভ্রমণ করেন এবং সিরামিক পাহাড়ে আরোহণ করতে চান এবং নীল, স্ফটিক পরিষ্কার পানিতে সাঁতার উপভোগ করেন চান। অথবা শান্ত প্রেমময় হন রা পর্যটকদের বিশাল ভিড় থেকে বিচ্ছিন্নতা খুঁজছে এবং একা পাহাড় ও হ্রদ উপভোগ করতে চান বা আপনার পরিবারের সাথে সময় কাটতে চান,তবে বিরিশিরি এমন একটি স্থান যা আপনাকে এগুলির সমাহার সাজিয়ে বসে আছে।
Monday, October 29, 2018
সাজেক,রাঙ্গামাটি - পাহাড়ে বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র (Sajek, Rangamati - the popular tourist center of Bangladesh)
কখনও কি মেঘ ছোঁয়ার স্বপ্ন মনে লালন করেছেন? কখনো এত বড় হয়ে উঠতে চেয়েছিলেন যে আপনি পৃথিবীর বাকি অংশগুলো কীটপতঙ্গ আকারে দেখতে পাচ্ছেন? অথবা আপনি আকাশের কাছে পৌঁছে গেছেন। আর সেখান থেকে দেখছেন আপনার বসবাসের দুনিয়া। আপনি যদি বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর জায়গাগুলিতে ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক হন তবেই এই ধরনের স্বপ্ন পুরন সম্ভব হতে পারে।
চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চল বাংলাদেশে এমন একটি স্থান যেখানে আপনি বিভিন্ন বৈচিত্র্যের সংস্কৃতি এবং সুন্দর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। সাজেক উপত্যকা চট্টগ্রাম বিভাগের রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত।রাঙ্গামাটি চারটি জেলার মধ্যে একটি। খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি,বান্দরবান, এবং চট্টগ্রাম মিলে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল গঠিত হয়েছে। সাজেক রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত হলেও,খাগড়াছড়ি জেলার মাধ্যমে এটি আরও সহজে প্রবেশযোগ্য।
Sunday, October 28, 2018
নকশিপল্লী পুর্বাচল যা ঢাকার কাছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র (another popular tourist spot of Bangladesh)
ঢাকায় বসবাসরত নাগরিকদের জন্য বাড়ী পাশে আরশি নগর হিসাবে পরিচিত বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র নকশিপল্লী পুর্বাচল। যারা আধাবেলা কিংবা একদিনের জন্য অল্পযাত্রার একটি ফুরফুরে সফর দিতে চান। তাদের জন্য ভোলাণাথপুর বাজার ও নকশীপল্লী হতে পারে একেবারে ভিন্ন স্বাদের ছোট একটা ভ্রমণ। রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড থেকে নতুন ৩০০ ফিট রাস্তা ধরে পর পর দুটো ব্রিজ পার হলেই ভোলানাথপুর আর ভোলানাথপুর থেকে একটু ভেতরে গেলেই নকশীপল্লী। আগেই বলে রাখি নকশী পল্লী আসলে কোনো ঘোরার জায়গা নয় এটা শুধু একটা রেস্টুরেন্ট। যারা ঢাকার মধ্যেই যানজট থেকে দূরে গিয়ে একটু শান্তির আভাস পেতে চান তাদের জন্য একটা ভাল জায়গা হতে পারে পূর্বাচলের বালু ব্রিজের পাশের এই সুন্দর এলাকা। এখানে মোটামুটি অনেক খাওয়ার হোটেল, রেস্তোরা আছে কিন্তু একটু ভিন্ন ধাচের একটা রেস্তোরা হল নকশিপল্লী (Nokshi Polli)। আপনি এখানে নদীর পাশে বসে কিছুটা সুন্দর সময় কাটাতে পারেন, ইচ্ছে করলে বোটে ঘুরতে পারেন, এমনকি ঘোড়ার গাড়িতে চড়তে পারবেন। আর আশে পাশে হাটার অনেক জায়গা আছে। চারপাশের কাশফুলগুলো যখন দল বেধে উড়ে আসবে তখন পরিবেশ হবে আরো মনোমুগ্ধকর।
Saturday, October 27, 2018
উত্তরা গণভবন - বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র (Uttara Ganobhaban - Bangladesh's popular tourist center)
উত্তরা গণভবন বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।নাটোর জেলা উত্তরাঞ্চলের একটি প্রসিদ্ধ জেলা শহর। নাটোর শহরের থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি। যা বর্তমানে উত্তরা গণভবন নামে পরিচিত। উত্তরা গণভবন হলো উত্তরবঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর স্থানীয় কার্যালয় ও বাসভবন। উত্তরা গণভবন দেখতে হলে তাই জেলা প্রশাসনের অনুমতি লাগবে। তবে অনুমতি পাওয়া ততটা কঠিন নয়।
Friday, October 26, 2018
ঢাকেশ্বরী মন্দির - বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র(Dhakeswari Temple - popular tourist center of bangladesh)
বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ও ঢাকার প্রাচীন স্থাপনাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঢাকেশ্বরী মন্দির। কিংবদন্তী আছে রাজা বল্লাল সেন বুড়িগঙ্গা নদীর তীরের জঙ্গলে দেবী দুর্গার একটি মূর্তি পেয়ে সেটাকে উপযুক্ত স্থানে রাখার জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে ওঠেন।তাই একটি মন্দির নির্মাণ করে সেটিকে সেখানে স্থাপন করেন। আর নাম দেন ঢাকেশ্বরী মন্দির। অনেক ঐতিহাসিকের মতে এই ঢাকেশ্বরী নাম থেকেই ‘ঢাকা’ নামের উৎপত্তি। এই মন্দিরের নামের আক্ষরিক অর্থ দাঁড়ায় ঢাকার ঈশ্বরী।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র এই ঢাকেশ্বরী মন্দিরঃ
বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলীদের মতে তাদের এই মন্দিরের নাম অনুসারেই রাজধানী ঢাকার নামকরণ করা হয়েছে। এই ঢাকায় অবস্থিত হিন্দুদের একটি মন্দির ও ধর্মচর্চা কেন্দ্র। ১২শ শতাব্দীতে এটি রাজা বল্লাল সেন গড়ে তোলেন। তবে এই রাজা বল্লাল সেন, সেন বংশের রাজা বল্লাল সেন কিনা তা নীয়ে মতভেদ আছে। কিন্তু ঢাকেশ্বরী মন্দিরটি চুন-বালুর গাঁথুনিতে নির্মিত। অনেকেই মনে করেন এর নির্মাণশৈলী বৌদ্ধমন্দিরের মতো। কারণ আরাকানি বৌদ্ধমন্দিরের মতো এখানে পুকুর, অশ্বত্থ বৃক্ষ, বাগান, মঠ, পান্থশালা, সন্ন্যাসীর আশ্রম, মণ্ডপ, বারান্দা ইত্যাদি রয়েছে। এফ বি ব্রাডলি বার্ট ১৯০৬ সালে রোমান্স অব অ্যান ইস্টার্ন ক্যাপিটেল নামক গ্রন্থে লিখেছেন, ‘বর্তমান মন্দিরটি ২০০ বছরের পুরোনো ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এক হিন্দু এজেন্ট নির্মাণ করেন।’ অবশ্য গত এক শ বছরে মন্দির কমপ্লেক্সটির অনেক সংস্কার হয়েছে। এখানে হিন্দুদের বিয়ে থেকে শুরু করে নানা পূজাপার্বণ হয়। বিভিন্ন সময় এই মন্দিরটি সংস্কার হয়েছে। আর প্রতিবারই এর আদি রুপের পরিবর্তন ঘঠেছে। বর্তমান রুপ মন্দিরটির আদি রুপ নয় এটা নিশ্চিত করে বলা যায়।
Thursday, October 25, 2018
বরেন্দ্র জাদুঘর - বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র(Varendra Museum - Bangladesh's popular tourist center)
বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র বরেন্দ্র জাদুঘর রাজশাহীতে অবস্থিত।
দক্ষিণ
এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রত্নতাত্ত্বিক
সংগ্রহশালা বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর রাজশাহী শহরের কেন্দ্রস্থল হাতেম খাঁন
মহল্লায় অবস্থিত। বঙ্গীয় শিল্পকলার অপূর্ব সমাহারে সমৃদ্ধ এই সংগ্রহ
শালাটি রাজশাহী তথা বাংলাদেশের গর্ব এবং অহংকার। বরেন্দ্র অঞ্চলের রাজন্যবর্গ, সমসাময়িক
জ্ঞানী, গুণী ও পন্ডিতজন এখানকার নিজস্ব ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য
সংরক্ষণের জন্য ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর। ১৮৬০
সালের ভারতীয় সমিতি আইন অনুযায়ী ১৯১৪
সালে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর নিবন্ধন লাভ করে।
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জাদুঘর। এটি বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির একটি বড় অর্জন। শরৎকুমার রায় এবং তাঁর সহযোগী অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রমাপ্রসাদ চন্দ
প্রমুখ প্রত্ন-অনুরাগী এই প্রতিষ্ঠান দুটি গড়ে তোলার জন্য তাঁরা তাঁদের
সময় ও শ্রম ব্যয় করেন। তাঁদের সারা জীবনের প্রয়াস ছিল ওই সময়ের টিকে
থাকা অমূল্য প্রত্নসম্পদ (বাংলার, বিশেষ করে বরেন্দ্রীর) জনসম্মুখে প্রকাশ
করা।
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর হলো বাংলাদেশের
প্রথম জাদুঘর, যা ১৯১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো। রাজশাহী অঞ্চলের সনাতন
ইতিহাস, ধর্মীয় রীতি, সংস্কৃতি ইত্যাদির বিশাল এক সংগ্রহ আছে এখানে। গবেষক
ও পর্যটক উভয় ধরনের মানুষ এখানে ভ্রমণ করেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)






