Sunday, October 28, 2018

নকশিপল্লী পুর্বাচল যা ঢাকার কাছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র (another popular tourist spot of Bangladesh)


ঢাকায় বসবাসরত নাগরিকদের জন্য বাড়ী পাশে আরশি নগর হিসাবে পরিচিত বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র নকশিপল্লী পুর্বাচল। যারা আধাবেলা কিংবা একদিনের জন্য অল্পযাত্রার একটি ফুরফুরে সফর দিতে চান। তাদের জন্য ভোলাণাথপুর বাজার ও নকশীপল্লী হতে পারে একেবারে ভিন্ন স্বাদের ছোট একটা ভ্রমণ।  রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড থেকে নতুন ৩০০ ফিট রাস্তা ধরে পর পর দুটো ব্রিজ পার হলেই ভোলানাথপুর  আর ভোলানাথপুর থেকে একটু ভেতরে গেলেই নকশীপল্লী। আগেই বলে রাখি  নকশী পল্লী আসলে কোনো ঘোরার জায়গা নয় এটা শুধু একটা রেস্টুরেন্ট। যারা ঢাকার মধ্যেই যানজট থেকে দূরে গিয়ে একটু শান্তির আভাস পেতে চান তাদের জন্য একটা ভাল জায়গা হতে পারে পূর্বাচলের বালু ব্রিজের পাশের এই সুন্দর এলাকা। এখানে মোটামুটি অনেক খাওয়ার হোটেল, রেস্তোরা আছে কিন্তু একটু ভিন্ন ধাচের একটা রেস্তোরা হল নকশিপল্লী (Nokshi Polli)। আপনি এখানে নদীর পাশে বসে কিছুটা সুন্দর সময় কাটাতে পারেন, ইচ্ছে করলে বোটে ঘুরতে পারেন, এমনকি ঘোড়ার গাড়িতে চড়তে পারবেন। আর আশে পাশে হাটার অনেক জায়গা আছে। চারপাশের কাশফুলগুলো যখন দল বেধে উড়ে আসবে তখন পরিবেশ হবে আরো মনোমুগ্ধকর।

Saturday, October 27, 2018

উত্তরা গণভবন - বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র (Uttara Ganobhaban - Bangladesh's popular tourist center)



উত্তরা গণভবন বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।নাটোর জেলা উত্তরাঞ্চলের একটি প্রসিদ্ধ জেলা শহর। নাটোর শহরের থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি। যা বর্তমানে উত্তরা গণভবন নামে পরিচিত। উত্তরা গণভবন হলো উত্তরবঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর স্থানীয় কার্যালয় ও বাসভবন। উত্তরা গণভবন দেখতে হলে তাই জেলা প্রশাসনের অনুমতি লাগবে। তবে অনুমতি পাওয়া ততটা কঠিন নয়।

Friday, October 26, 2018

ঢাকেশ্বরী মন্দির - বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র(Dhakeswari Temple - popular tourist center of bangladesh)



বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ও ঢাকার প্রাচীন স্থাপনাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঢাকেশ্বরী মন্দির। কিংবদন্তী আছে রাজা বল্লাল সেন বুড়িগঙ্গা নদীর তীরের জঙ্গলে দেবী দুর্গার একটি মূর্তি পেয়ে সেটাকে উপযুক্ত স্থানে রাখার জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে ওঠেন।তাই একটি মন্দির নির্মাণ করে সেটিকে সেখানে স্থাপন করেন। আর নাম দেন ঢাকেশ্বরী মন্দির। অনেক ঐতিহাসিকের মতে এই ঢাকেশ্বরী নাম থেকেই ‘ঢাকা’ নামের উৎপত্তি। এই মন্দিরের নামের আক্ষরিক অর্থ দাঁড়ায় ঢাকার ঈশ্বরী।

বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র এই ঢাকেশ্বরী মন্দিরঃ


বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলীদের মতে তাদের এই মন্দিরের নাম অনুসারেই রাজধানী ঢাকার নামকরণ করা হয়েছে। এই ঢাকায় অবস্থিত হিন্দুদের একটি মন্দির ও ধর্মচর্চা কেন্দ্র। ১২শ শতাব্দীতে এটি রাজা বল্লাল সেন গড়ে তোলেন। তবে এই রাজা বল্লাল সেন, সেন বংশের রাজা বল্লাল সেন কিনা তা নীয়ে মতভেদ আছে। কিন্তু ঢাকেশ্বরী মন্দিরটি চুন-বালুর গাঁথুনিতে নির্মিত। অনেকেই মনে করেন এর নির্মাণশৈলী বৌদ্ধমন্দিরের মতো। কারণ আরাকানি বৌদ্ধমন্দিরের মতো এখানে পুকুর, অশ্বত্থ বৃক্ষ, বাগান, মঠ, পান্থশালা, সন্ন্যাসীর আশ্রম, মণ্ডপ, বারান্দা ইত্যাদি রয়েছে। এফ বি ব্রাডলি বার্ট ১৯০৬ সালে রোমান্স অব অ্যান ইস্টার্ন ক্যাপিটেল নামক গ্রন্থে লিখেছেন, ‘বর্তমান মন্দিরটি ২০০ বছরের পুরোনো ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এক হিন্দু এজেন্ট নির্মাণ করেন।’ অবশ্য গত এক শ বছরে মন্দির কমপ্লেক্সটির অনেক সংস্কার হয়েছে। এখানে হিন্দুদের বিয়ে থেকে শুরু করে নানা পূজাপার্বণ হয়। বিভিন্ন সময় এই মন্দিরটি সংস্কার হয়েছে। আর প্রতিবারই এর আদি রুপের পরিবর্তন ঘঠেছে। বর্তমান রুপ মন্দিরটির আদি রুপ নয় এটা নিশ্চিত করে বলা যায়।

Thursday, October 25, 2018

বরেন্দ্র জাদুঘর - বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র(Varendra Museum - Bangladesh's popular tourist center)


বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র বরেন্দ্র জাদুঘর রাজশাহীতে অবস্থিত।

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর রাজশাহী শহরের কেন্দ্রস্থল হাতেম খাঁন মহল্লায় অবস্থিত। বঙ্গীয় শিল্পকলার অপূর্ব সমাহারে সমৃদ্ধ এই সংগ্রহ শালাটি রাজশাহী তথা বাংলাদেশের গর্ব এবং অহংকার। বরেন্দ্র অঞ্চলের রাজন্যবর্গ, সমসাময়িক জ্ঞানী, গুণী ও পন্ডিতজন এখানকার নিজস্ব ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর। ১৮৬০ সালের ভারতীয় সমিতি আইন অনুযায়ী ১৯১৪ সালে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর নিবন্ধন লাভ করে। 

বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জাদুঘর। এটি বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির একটি বড় অর্জন। শরৎকুমার রায় এবং তাঁর সহযোগী অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রমাপ্রসাদ চন্দ প্রমুখ প্রত্ন-অনুরাগী এই প্রতিষ্ঠান দুটি গড়ে তোলার জন্য তাঁরা তাঁদের সময় ও শ্রম ব্যয় করেন। তাঁদের সারা জীবনের প্রয়াস ছিল ওই সময়ের টিকে থাকা অমূল্য প্রত্নসম্পদ (বাংলার, বিশেষ করে বরেন্দ্রীর) জনসম্মুখে প্রকাশ করা। বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর হলো বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর, যা ১৯১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো। রাজশাহী অঞ্চলের সনাতন ইতিহাস, ধর্মীয় রীতি, সংস্কৃতি ইত্যাদির বিশাল এক সংগ্রহ আছে এখানে। গবেষক ও পর্যটক উভয় ধরনের মানুষ এখানে ভ্রমণ করেন।


Wednesday, October 24, 2018

আহসান মঞ্জিল - ঢাকার নবাবী ঐতিহ্য (Ahsan Manzil - Nababi tradition of Dhaka)



আহসান মঞ্জিল ছিল ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ। বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর প্রতিষ্ঠাতা নওয়াব আবদুল গণি। তিনি তার পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ-র নামানুসারে এর নামকরণ করেন।১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে আহসান মঞ্জিলের নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে সমাপ্ত হয়। ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে এখানে এক অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়। 

অবস্থান(location): এটি বাংলাদেশের পুরনো ঢাকার ইসলামপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। 

Tuesday, October 23, 2018

সাগর কণ্যা কুয়াকাটা - অপরুপ সৌন্দর্যের হাতছানি ( kuakata is the beautiful sea beach of Bangladesh)


অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগরকন্যা কুয়াকাটা। দক্ষিণ এশিয়ায় একটি মাত্র সমুদ্রসৈকত যেখানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করা যায়। সমুদ্রের পেট চিরে সূর্যোদয় হওয়া এবং সমুদ্রের বক্ষে সূর্যকে হারিয়া যাওয়ার দৃশ্য অবলোকন করা নিঃসন্দেহে দারুণ ব্যাপার। আর এই ঘটনা অবলোকন করা যায় বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি সুমদ্র সৌকত থেকে যার মধ্যে বাংলাদেশের কুয়াকাটা একটি। বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও এই সাগরকন্যা তার জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে।এখানে আরো যা দেখবেনঃ শুটকি পল্লী, ফাতরার বন, ওয়াটার মিউজিয়াম,গঙ্গামতির জঞ্জল,রাখাইন মার্কেট, ইকোপার্ক ও জাতীয় উদ্যান, মাজিদবাড়িয়া মসজিদ ও আরো অনেক কিছু।

Monday, October 22, 2018

কক্সবাজার সবচেয়ে সুন্দর এবং বড় সমুদ্র সৈকত (Cox’s Bazar is the beautiful largest sea beach)



কক্সবাজার, বাংলাদেশের অবস্থিত সবচেয়ে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র এবং বাংলাদেশের অবস্থিত এটি বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত।কক্সবাজার একটি ছোট শহর এবং দক্ষিনে অবস্থিত। বাংলাদেশের ছোট বন্দর।এই বিশিষ্ট সামুদ্রিক শহর বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত ।120 কিলোমিটার একটানা  বালিময় সৈকত !এবং এটি বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী। সৈকত বিশ্বের পর্যটকের কাছে জনপ্রিয় হবার মূল কারণ হলো এই বীচ হাঙ্গর মুক্ত এবং স্নান, সাঁতার এবং সূর্য স্নানের জন্য ভাল। প্রচুর স্থানীয় পর্যটক ও বিদেশী পর্যটক কক্সবাজারে আসে। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত প্রায় সারা বছর ধরে ভীড় থাকে।